টলিউড–বলিউডের গণ্ডি পেরিয়ে হলিউড—এই পথচলা বহু শিল্পীর কাছে স্বপ্নের শেষ স্টেশন। সেই স্বপ্নের দরজায় একবার কড়া নাড়লেই নাকি জীবনের মানে বদলে যায়—এমনটাই প্রচলিত ধারণা। অথচ সেই দরজার সামনে দাঁড়িয়েও অবলীলায় পিছিয়ে এলেন ত্রিধা চৌধুরী। আলো-ঝলমলে অফার, বিশ্বমঞ্চের ডাক—সবকিছুকে পাশ কাটিয়ে তিনি বেছে নিলেন নিজের বিশ্বাস, নিজের ভবিষ্যৎ, নিজের শর্ত।
ওটিটি-দুনিয়ায় ‘আশ্রম’-এর হাত ধরে ত্রিধা যখন দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে, তখন তাঁকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ‘হট’ ইমেজের আবহ। জনপ্রিয়তার সেই ঢেউ আরও উঁচুতে তুলতে পারত হলিউডের প্রস্তাব। কিন্তু সেই প্রস্তাবের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল এমন কিছু দৃশ্য, যেগুলো তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। স্পষ্ট ভাষায় অভিনেত্রীর সিদ্ধান্ত—নগ্ন দৃশ্যে তিনি অভিনয় করবেন না। তাঁর বিশ্বাস, সাহসী দৃশ্য হয়তো মুহূর্তের খ্যাতি এনে দিতে পারে, কিন্তু তার দীর্ঘ ছায়া পড়ে কেরিয়ারের উপর—এমন ছায়া, যা অনেক দরজা চিরতরে বন্ধ করে দিতে পারে।
ত্রিধার আশঙ্কা ছিল আরও গভীর। একটি ভুল সিদ্ধান্ত তাঁকে টাইপকাস্ট করে দিতে পারে—এমন একটি খাঁচায় আটকে ফেলতে পারে, যেখান থেকে বেরনোর পথ নেই। বলিউডে, এমনকি টলিউডেও কাজের সুযোগ সংকুচিত হয়ে যেতে পারে—এই উপলব্ধি তাঁকে থামিয়েছে। তাই একটি ছবির মোহে পড়ে গোটা কেরিয়ারকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতে চাননি তিনি। তাঁর কাছে জনপ্রিয়তার চেয়ে মূল্যবান ছিল ধারাবাহিকতা, সম্মান এবং নিজের পরিচয়।
অভিনেত্রীর কথায়, হলিউডে নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় করলে তার প্রভাব পড়ত দেশের কাজের বাজারে। তখন হয়তো বলিউড বা টলিউডের প্রজেক্টে আর তাঁকে দেখা যেত না। সেই কারণেই তিনি আজই সব দরজা বন্ধ করতে চান না। ভবিষ্যতে যদি ভিন্ন ধরনের, মানানসই কোনও কাজ আসে—যেখানে শর্ত তাঁর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ—তবে অবশ্যই তিনি ভেবে দেখবেন। সিদ্ধান্তে অনমনীয়তা নেই, আছে কেবল আত্মসম্মান।
ত্রিধার পথচলার শুরু বড় পর্দায়—প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ‘মিশর রহস্য’। তবে আসল পরিচিতি এসেছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের হাত ধরেই। ‘বন্দিশ ব্যান্ডিটস’ এবং ‘আশ্রম’-এ তাঁর অভিনয় নজর কেড়েছে আলাদা করে। সম্প্রতি কপিল শর্মার ‘কিস কিসকো পিয়ার কারু ২’-এ কমেডি ঘরানায় নিজেকে নতুন রূপে মেলে ধরেছেন তিনি—নিজের পরিসর ভাঙারই আরেকটি সচেতন প্রয়াস।
ঝলমলে অফার ফিরিয়ে দেওয়া সহজ নয়। বিশেষ করে যখন সেই অফার স্বপ্নের মতো। তবু ত্রিধা চৌধুরী দেখিয়ে দিলেন—সাফল্য মানে কেবল আরও আলো নয়, কখনও কখনও আলো থেকে সরে এসে নিজের ছায়াটুকু আগলে রাখাও সাফল্য। এই নীরব ‘না’-এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে এক অভিনেত্রীর দূরদর্শিতা, আত্মসম্মান আর দীর্ঘ পথচলার সাহস।
ওটিটি-দুনিয়ায় ‘আশ্রম’-এর হাত ধরে ত্রিধা যখন দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে, তখন তাঁকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ‘হট’ ইমেজের আবহ। জনপ্রিয়তার সেই ঢেউ আরও উঁচুতে তুলতে পারত হলিউডের প্রস্তাব। কিন্তু সেই প্রস্তাবের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল এমন কিছু দৃশ্য, যেগুলো তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। স্পষ্ট ভাষায় অভিনেত্রীর সিদ্ধান্ত—নগ্ন দৃশ্যে তিনি অভিনয় করবেন না। তাঁর বিশ্বাস, সাহসী দৃশ্য হয়তো মুহূর্তের খ্যাতি এনে দিতে পারে, কিন্তু তার দীর্ঘ ছায়া পড়ে কেরিয়ারের উপর—এমন ছায়া, যা অনেক দরজা চিরতরে বন্ধ করে দিতে পারে।
ত্রিধার আশঙ্কা ছিল আরও গভীর। একটি ভুল সিদ্ধান্ত তাঁকে টাইপকাস্ট করে দিতে পারে—এমন একটি খাঁচায় আটকে ফেলতে পারে, যেখান থেকে বেরনোর পথ নেই। বলিউডে, এমনকি টলিউডেও কাজের সুযোগ সংকুচিত হয়ে যেতে পারে—এই উপলব্ধি তাঁকে থামিয়েছে। তাই একটি ছবির মোহে পড়ে গোটা কেরিয়ারকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতে চাননি তিনি। তাঁর কাছে জনপ্রিয়তার চেয়ে মূল্যবান ছিল ধারাবাহিকতা, সম্মান এবং নিজের পরিচয়।
অভিনেত্রীর কথায়, হলিউডে নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় করলে তার প্রভাব পড়ত দেশের কাজের বাজারে। তখন হয়তো বলিউড বা টলিউডের প্রজেক্টে আর তাঁকে দেখা যেত না। সেই কারণেই তিনি আজই সব দরজা বন্ধ করতে চান না। ভবিষ্যতে যদি ভিন্ন ধরনের, মানানসই কোনও কাজ আসে—যেখানে শর্ত তাঁর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ—তবে অবশ্যই তিনি ভেবে দেখবেন। সিদ্ধান্তে অনমনীয়তা নেই, আছে কেবল আত্মসম্মান।
ত্রিধার পথচলার শুরু বড় পর্দায়—প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ‘মিশর রহস্য’। তবে আসল পরিচিতি এসেছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের হাত ধরেই। ‘বন্দিশ ব্যান্ডিটস’ এবং ‘আশ্রম’-এ তাঁর অভিনয় নজর কেড়েছে আলাদা করে। সম্প্রতি কপিল শর্মার ‘কিস কিসকো পিয়ার কারু ২’-এ কমেডি ঘরানায় নিজেকে নতুন রূপে মেলে ধরেছেন তিনি—নিজের পরিসর ভাঙারই আরেকটি সচেতন প্রয়াস।
ঝলমলে অফার ফিরিয়ে দেওয়া সহজ নয়। বিশেষ করে যখন সেই অফার স্বপ্নের মতো। তবু ত্রিধা চৌধুরী দেখিয়ে দিলেন—সাফল্য মানে কেবল আরও আলো নয়, কখনও কখনও আলো থেকে সরে এসে নিজের ছায়াটুকু আগলে রাখাও সাফল্য। এই নীরব ‘না’-এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে এক অভিনেত্রীর দূরদর্শিতা, আত্মসম্মান আর দীর্ঘ পথচলার সাহস।
তামান্না হাবিব নিশু